Skip to main content

বহিষ্কৃত এশাকে নিয়ে এ কী বললেন তার বাবা।

বহিষ্কৃত এশাকে নিয়ে এ কী বললেন তার বাবা।

কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর নির্যাতন ও এক ছাত্রীর পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে বহিষ্কৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি ইফফাত জাহান এশাকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন তার বাবা ইসমাইল হোসেন বাদশা। তিনি বলেছেন, আমার মেয়ে এশার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সে নির্দোষ।

আন্দোলনরত ছাত্রীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে বহিষ্কার হওয়ার পর মেয়েকে নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এশার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ৩নং দিগনগর ইউনিয়নের দেবতলা গ্রামে। তারা পুরো পরিবার নিয়ে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুরের জামতলায় বসবাস করেন। তার মা গৃহণী।

বাবা মোঃ ইসমাইল হোসেন বাদশা সাবেক ঝিনাইদহ জেলা জাসদের সভাপতি ছিলেন। ২০০১ সালে শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ একটি জনসভায় তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।

এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে ইসমাইল হোসেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিববেশক বিষয়ক সম্পাদক এবং জেলা দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি)। তিনি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার প একটানা পিপির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার ভাই-বোনের মধ্যে এশা তৃতীয়। তার দুই বোনের বিয়ে হয়ে গেছে ও সবাই ছোট ভাই ঝিনাইদহ সরকারি বালক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র।

এশা ঝিনাইদহ সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২০১০ সালে মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি ও ২০১২ সালে ঝিনাইদহ সরকারি নুরুন্নাহার মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ নিয়ে এইচএসসি পাস করেন।

২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। এশা ঢাকায় বসবাসের পর থেকে কিছুটা পাল্টে যান। আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে তিনি ছাত্রলীগে যোগ দেন।

এশার বাবা ইসমাইল হোসেন বাদশা দাবি করেন, আমার মেয়ে এশার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। সে ষড়যন্ত্রের শিকার। ভিসির বাস ভবনে যারা হামলা করে মিথ্যা রটিয়েছে এটাও এমন মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করা দরকার।


গতকাল মঙ্গলবার রাতে এক শিক্ষার্থীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে বহিষ্কার করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী। এর আগে তিনি এশাকে হল থেকে বহিষ্কারের আদেশ দেন।

একইসঙ্গে তাকে সুফিয়া কামাল হলের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। মঙ্গলবার রাতে ছাত্রলীগ সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

Comments

Popular posts from this blog

গ্রাম স্টেইন করার পদ্ধতি।

গ্রাম স্টেইনঃ  ( Gram staining, Gram's method) ব্যাক্টেরিয়া  সনাক্তকরণের জন্য বহুল ব্যবহৃত উপকরণ। ব্যাক্টেরিয়া সনাক্তকরণের জন্য এটিই মোটামুটি সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও সফল পদ্ধতি। ১৮৮৪ সালে ডেনিশ বিজ্ঞানী  হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান গ্রাম  এ পদ্ধতি  আবিষ্কার  করেন। এরপর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এই পদ্ধতি অত্যন্ত সার্থকভাবে প্রয়োগ হয়ে আসছে। ইতিহাস ও নামকরণঃ এই পদ্ধতিটির নামকরণ করা হয়েছে আবিষ্কারক ক্রিস্টিয়ান গ্রাম ( Hans Christian Gram ) (১৮৫৩-১৯৩৮) এর নামে যিনি এ পদ্ধতি প্রথম প্রয়োগ করেন তার সহযোগী কার্ল ফ্রেডলেনডার ( Carl Friedländer ) এর সাথে বার্লিন শহরের একটি  হাসপাতালের  মর্গে কাজ করার সময়। তবে গ্রাম এ পদ্ধতি ব্যাক্টেরিয়াকে পৃথকীকরণের জন্য নয়, মূলত ফুসফুস কলাতে ব্যাক্টেরিয়াকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করার জন্যই প্রয়োগ করেছিলেন। তাঁর আবিষ্কৃত পদ্ধতিটি তিনি প্রকাশ করেন ১৮৮৪ সালে। গ্রাম স্টেইন পদ্ধতিতে ব্যাক্টেরিয়াকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে ঃ ১। গ্রাম পজিটিভ ব্যাক্টেরিয়া এবং  ২। গ্রাম  নেগেটিভ ব্যাক্টেরিয়া । এ পদ...